ঢাকা সোমবার, ১৮ই নভেম্বর ২০১৯, ৫ই অগ্রহায়ণ ১৪২৬

রাজিবের ছোট ভাইদের পাশে কলেজ পরিবার


প্রকাশিত:
২৯ জুলাই ২০১৯ ১২:১৭

আপডেট:
১৮ নভেম্বর ২০১৯ ১২:৪২

Published: 2019-07-29 12:17:55 BdST

প্রফেসর মোঃ আশরাফ হোসেন প্রফেসর ড. মোসা: আবেদা সুলতানা শিক্ষকদের পক্ষ থেকে রাজিবের দুই ভাইয়ের হাতে ৭৫,০০০ টাকা তুলে দেন।

ঢাকায় সড়ক পথে মৃত্যু যেন নিত্যদিনের এক আতঙ্কের নাম। গত এক বছরে ভিবিন্ন ভাবে সড়ক দূর্ঘটনায় মারা গেছে ২৯৭ জন। এদরে মধ্যে বাসের দৌরাত্বে অনেক শিক্ষার্থীর প্রাণ অকালে ঝরেছে। তার মধ্যে একজন সরকারী তিতুমীর কলেজ শিক্ষার্থী রাজিব। তার ছোট ভাইদের পাশে কলেজ পরিবার দাড়িয়েছে।

গত শনিবার দুপুরে মাদ্রাসা পড়ুয়া রাজিবের দুই ছোট ভাই মেহেদি ও আব্দুল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে রাজিবের দুই খালা তিতুমীর কলেজে আসেলে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আশরাফ হোসেন এবং উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোসা: আবেদা সুলতানা শিক্ষকদের পক্ষ থেকে রাজিবের দুই ভাইয়ের হাতে ৭৫,০০০ টাকা তুলে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলেজের উনিশতম শিক্ষক পরিষদের সদস্যরা।

রাজিব নির্মম মৃত্যুর কথা স্মরণ করে কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সালমা মুক্তা ফেসবুকে লিখেন- 'মনে প্রশ্ন জাগে, এভাবে আর কত রাজপথে জীবন বিলিয়ে দেব আমরা? ইচ্ছামত মাতাল চালকেরা কেড়ে নিচ্ছে মানব প্রাণ। তিতুমীর কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আরেক শিক্ষার্থী সিদ্দিক দু'বছর আগে শাহবাগের শিক্ষা আন্দোলনে হারিয়েছে দু'চোখ। এইতো, ক'দিন আগেই তিতুমীর কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞানেরই আরেক শিক্ষার্থী তাসলিমা বেগম রেনু ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে প্রাণ হারিয়েছে। হয়তো রেনু আমারই সরাসরি শিক্ষার্থী ছিল না। কিন্তু কেন এই নৈরাজ্য? ক্রিমিনালদের তাৎক্ষণিক দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে নষ্টদের হাতেই জিম্মি হবে আমাদের জীবন। যে ত্যাগের বিনিময়ে আমরা লাল-সবুজ পতাকা হাতে নিয়েছি, সে রাষ্ট্রের বাস্তবতা তো এমন হতে পারে না!'

প্রসঙ্গত, গেল বছরের ১৭ এপ্রিল রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় দুই বাসের প্রতিযোগিতায় ডান হাত হারানো কলেজছাত্র রাজীব হোসেন (২১) মারা যান। তিনি মহাখালীর সরকারি তিতুমীর কলেজের স্নাতকের (বাণিজ্য) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। রাজীবের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফলে। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় মা এবং অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় বাবাকে হারান।



আপনার মতামত শেয়ার করুন:

Top